White and Blue IT Consultant LinkedIn Banner

Friday, May 22, 2020

 বার বার রিস্টাট নিচ্ছে কম্পিউটার? জেনে নিন কি কি কারনে সমস্যাটি হয়

বার বার রিস্টাট নিচ্ছে কম্পিউটার? জেনে নিন কি কি কারনে সমস্যাটি হয়

তাহলে চলুন দেখা যাক, কি কি কারনে কম্পিউটার Restart হয়ঃ
  • সিপিউ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে
  • HardDisk এর কারণে
  • RAM এর কারণে
  • USB এর কারণে
  • ভাইরাসের কারণে
  • অপারেটিং সিস্টেমের কারণে
  • Hardware এর কারণে
  • সফটওয়্যার ও গেমসের কারণে
এবার চলুন এসবের বিস্তারিত জেনে নেইঃ
অপারেটিং সিষ্টেমের জটিলতাঃ
অনেক সময় অপারেটিং সিষ্টেমে জটিলতার কারণে বা অপারেটিং সিষ্টেম Crash করলে কসম্পউটার রিষ্টার্ট হতে থাকে। উইন্ডোজের default (ডিফল্ট) সিস্টেমে বা অপারেটিং সিস্টেমে কোনো সমস্যা হলে পিসি রিষ্টার্ট নেয়। ডিফল্ট সিস্টেম বন্ধ করতে My Computer গিয়ে রাইটবাটন ক্লিক করে properties থেকে Advanced tab/Startup and Recovery/Settings অপশনে যান। এবার System Failure অপশনের অন্তর্গত “Automatically Restart” Option – এ গিয়ে টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিয়ে Ok করুন।
ভাইরাসের আক্রমণঃ
বিভিন্ন রকমের ভাইরাস আক্রমনের কারণেও পিসি রিষ্টার্ট নিতে পারে। এ জন্য পিসিতে সব সময় আপডেট এবং নির্ভরযোগ্য এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন। প্রতিনিয়ত নিয়মানুযায়ী কম্পিউটার স্ক্যান করুন। আশা করি রিস্টার্ট সংক্রান্ত সমস্যা থেকে বাঁচবেন।
হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যাঃ
কম্পিউটারে নতুন করে কোনো হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং পিসির সঙ্গে সেটি সামঞ্জস্য না হলে এধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রটি দেখা দিলেও পিসি অহেতুক রিষ্টার্ট নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যারের সংযোগস্থল ঠিক আছে কিনা দেখে নিন ।
নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টলের কারণেঃ
অনেক সময় গেমস বা কিছু সফটওয়্যার ইনস্টল করার কারণে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিতে পারে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, আপনার পিসির কনফিগারেশনের সঙ্গে যদি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার, গেমস সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার পূর্বে প্রোগ্রামের রিকোয়ামেন্ট সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিন।
Hard disk এর সমস্যাঃ
হার্ডডিস্কে কোন ধরনের Problem দেখা দিলে কম্পিউটার Restart নিতে পারে। এ সমস্যার কারণে হার্ডডিস্ক সঠিকভাবে ডেটা রিড করতে পারে না। যার ফলে Computer Hang অথবা রিস্টার্ট হতে পারে। এ ক্ষেত্রে হার্ডডিস্ক স্ক্যান করে ত্রুটিপুর্ণ স্থান (Bad sector) চিহ্নিত করুন।
 বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশেষ ছাড়!

বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশেষ ছাড়!

ডুয়েল কোর কম্পিউটার এখন মাত্র 10500/- টাকায়
  • Product Details
    Monitor : Esonic/sky View (17" LED) HDD: 320 RAM : 2 GB (DDR2) Processore: Dual Core Mother Board : 31 Cassing : ATX Keyboard: Optical Mouse: Optical
    ডুয়েল কোর কম্পিউটার ১২৫০০/- টাকায়
    ৳12,500.00
    • Product Details
      Monitor : Esonic/sky View (17" LED) HDD: 320 RAM : 2 GB (DDR3) Processore: Dual Core Mother Board : 41 Cassing : ATX Keyboard: Optical Mouse: Optical


      ডুয়েল কোর কম্পিউটার ১২৫০০/- টাকায়
      ৳12,500.00
      Product Details
      Monitor : Esonic/sky View (17" LED) HDD: 320 RAM : 2 GB (DDR3) Processore: Dual Core Mother Board : 41 Cassing : ATX Keyboard: Optical Mouse: Optical
     👉 যোগাযোগের ঠিকানা :- মোতালেব সুপার মার্কেট, কোনাবাড়ী কলেজগেট, কোনাবাড়ী, গাজীপুর মহানগর। মোবাইল 01711003755, 01511003755
    #ইমেইল:- fmcomputerit@gmail.com
    #ওয়েবসাইট:- http://fmcomputeritbd.blogspot.com


     ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!!
    👉 যেখানে সেখানে গজিয়ে উঠা প্রাইভেট কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্রের পিছনে না দৌড়ে সরাসরি ভর্তির জন্য চলে আসুন সরকার অনুমোদিত একটি যোগপযোগী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র। মনে রাখবেন পথ অনেক কিন্তু সাবধানতাই সুপথের সন্ধান দেয় এখন সিদ্ধান্ত আপনার……।
    👉কারন কোনাবাড়ীতে একমাত্র আমরাই দিচ্ছি সরকার অনুমোদিত সার্টিঠিকেট ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ।
    👉 বিজ্ঞপ্তিঃ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, কম্পিউটার-এর বিভিন্ন কোর্সের উপর তিন মাস মেয়াদী ও ছয় মাস মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি চলছে।
    👉 বিঃদ্রঃ গরীব অসহায় দুঃস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষন সাথে মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।
    👉 আমাদের কোর্স সমূহঃ
    ✔️ অফিস এ্যাপ্লিকেশন (এম.এস ওয়ার্ড, এক্সল,পাওয়ারপয়েন্ট,ইন্টারনেট এন্ড ইমেইল, বাংলা এবং ইংলিশ টাইপিং)
    ✔️প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন
    ✔️অটোক্যাড ২ডি+৩ডি
    ✔️ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
    ✔️ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং।
    👍 আমাদের লক্ষঃ প্রচারে নয় ব্যবসায়িক দৃষ্টি ভঙ্গি নয়, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ।
    👍 আমাদের বৈশিষ্ঠঃ
    ✔️দক্ষ প্রশিক্ষক দ্বারা শীট ভিত্তিক কম্পিউটার প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।
    ✔️চাকুরীজীবিদের জন্য সান্ধকালীন ব্যাচের ব্যবস্থা আছে।
    ✔️মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যাচের সু-ব্যবস্থা আছে।
    👉 যোগাযোগের ঠিকানা :- মোতালেব সুপার মার্কেট, কোনাবাড়ী কলেজগেট, কোনাবাড়ী, গাজীপুর মহানগর। মোবাইল 01711003755, 01511003755
    #ইমেইল:- fmcomputerit@gmail.com
    #ওয়েবসাইট:- http://fmcomputeritbd.blogspot.com
    👉 কোথাও ভর্তি হবার পূর্বে অবশ্যই এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র ভিজিট করুন।
    👉 মিথ্যা প্রলোভনের স্বীকার হবেন না (ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না)
    👉 মনে রাখবেন দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ, দক্ষতা নিজের সম্পদ। আর তাই এবার শিখব কম্পিউটার, থাকবো নার বেকার। টাকা দিয়ে চাকরী নয়, কম্পিউটার শিখে কর্মসংস্থান হয়।
    👉প্রশিক্ষন কোর্স করানোর পাশাপাশি আমরা কম্পিউটার সার্ভিসিং এবং কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ ও নতুন কিংবা পুরাতন কম্পিউটার ক্রয় বিক্রয় করি।এছাড়া সাজেশন লেকচার শীট প্রদান এবং ইমেইল/ফ্যাক্স প্রেরণ, চাকুরীর খোজ, কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দেখা সহ নানা রকম কার্যক্রম আমরা অনলাইনের মাধ্যমে করে থাকি।

 অনেকেই জানেন না যে সাঁটলিপি আসলে এটা কি ?

অনেকেই জানেন না যে সাঁটলিপি আসলে এটা কি ?

সাধারণ টাইপিং এবং সাঁটলিপি এর মধ্যে অনেক পাথর্ক্য রয়েছে।সাধারণ লেখা তো বাংলা এবং ইংরেজী অক্ষরের সমন্বয়ে লেখা হয়। সাঁটলিপি হচ্ছে সংক্ষেপে বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে লেখা। এটি ব্যবহার করে অনেক কম সময়ে, অল্প কাগজ ব্যবহার করে অধিক লেখা সম্ভব। তাছাড়া গোপনীয়তার জন্য সাঁটলিপি খুবই কার্যকরী। কারণ সাঁটলিপি সকলে বুঝেনা। বানান ভুলের সম্ভবনা খুবই কম।


 সাধারণ টাইপিং এবং সাঁটলিপি এর মধ্যে অনেক পাথর্ক্য রয়েছে

সাধারণ টাইপিং এবং সাঁটলিপি এর মধ্যে অনেক পাথর্ক্য রয়েছে

সাধারণ টাইপিং এবং সাঁটলিপি এর মধ্যে অনেক পাথর্ক্য রয়েছে।সাধারণ লেখা তো বাংলা এবং ইংরেজী অক্ষরের সমন্বয়ে লেখা হয়। সাঁটলিপি হচ্ছে সংক্ষেপে বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে লেখা। এটি ব্যবহার করে অনেক কম সময়ে, অল্প কাগজ ব্যবহার করে অধিক লেখা সম্ভব। তাছাড়া গোপনীয়তার জন্য সাঁটলিপি খুবই কার্যকরী। কারণ সাঁটলিপি সকলে বুঝেনা। বানান ভুলের সম্ভবনা খুবই কম।
 অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে কত সময় লাগে

অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে কত সময় লাগে

অনেকের মতে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে ১ থেকে ২ বৎসর সময় লাগে। কিন্তু আপনি হয়ত এটা জানেন না বেশির ভাগ মানুষ সঠিক গাইডলাইন, ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই সফল ফ্রীলান্সার হিসাবে অনলাইনের শক্ত অবস্থান তৈরি করে ফেলে। তাই আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে ৩ টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
১) সঠিক গাইডলাইন
২) ধৈর্য
৩) পরিশ্রম
এই তিনটি বিষয় অনুসরণ করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার অনলাইন ক্যারিয়ার। আমরা মনে করি, রকেটের গতিতে সফলতা ধরা দিবে আপনার হাতে। সর্বদা আপনার পাশে থাকবে এফ.এম কম্পিউটার আইটি।



 মুলত সফল হতে হলে ৪ টি জিনিসের প্রয়োজন।

মুলত সফল হতে হলে ৪ টি জিনিসের প্রয়োজন।

একজন মানুষের জীবনে যতদিন শিক্ষিত বেকারের খাতায় নাম থাকে ঠিক ততদিন ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তার কোন সীমা থাকে না। তবে আমরা একটুখানি পরিশ্রম করলেই পাল্টাতে পারি নিজের জীবন। আপনি কেন জীবনে সফল হবেন? আপনি কি কঠোর পরিশ্রমী? যদি পরিশ্রমী নাই হোন তাহলে কেন সফল হতে চান? মুলত সফল হতে হলে ৪ টি জিনিসের প্রয়োজন।
১) সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া।
২) নিজের উপর বিশ্বাস রাখা।
৩) ধৈর্য ধরে লেগে থাকা।
৪) কঠোর পরিশ্রম করা।

আপনার মধ্যে এই ৪ টির কি কি আছে?


 কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

কম্পিউটার একটি খুবই সহজ এবং স্বাভাবিক শিক্ষার মাধ্যম, যার সাহায্যে আপনি পৃথিবীর সকল শিক্ষার স্বাদ গ্রহণ করতে পারব্নে।
তার জন্য শুধুমাত্র একটি ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। কম্পিউটার শিক্ষায় পারদর্শী হওয়া খুবই সহজ তার জন্য শুধুমাত্র প্রকৃত ইচ্ছা ও মনযোগ প্রয়োজন। আপনি পুথিগত শিক্ষায় শিক্ষিত না হয়েও কম্পউটার শিখতে পারেন।
একজন অক্ষর-জ্ঞানহীন মানুষও কম্পিউটার শিখতে পারেন, যদি তাঁর মধ্যে আন্তরিক ইচ্ছার উদয় হয়।
কম্পিউটার শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পর যখন আপনার ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ঘটবে তখন আপনার মনে হবে আপনি স্বপ্নের জগতে প্রবেশ করেছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আনাকে নুতনভাবে আবিষ্কার করতে পারবেন যা পূর্বে কখনও অনুভব করেননি। ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি পৃথিবীর যেকোন দেশ চোখেঁর পলকে ঘুরে আসতে পারবেন এর জন্য কোন প্রকার পাসপোর্ট এবং ভিসার প্রয়োজন নেই। আপনি সকল দেশের সকল জাতির মানুষের সাথে খোলামেলা মতবিনিময় করতে পারবেন ই-মেইল বা সরাসরি কথা বলে এতে আপনার কোন পোষ্ট অফিস বা টেলিফোন বা মোবাইলের বিল দিতে হবেনা। দেখবেন আপনি আপনার মেধার বিকাশ নিজের অজান্তেই পৃথিবীর সকল মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিচ্ছন নিমিষেই। আপনি আপনাকে পৃথিবীর সর্বস্তরে পরিচিত করার সবচাইতে সহজ ও পথ হচ্ছে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট। আপনি কেন আপনার বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পারা-প্রতিবেশী, মহল্লা-গ্রাম, জেলা-উপজেলা, দেশ-বিদেশ তথা সারাবিশ্বের মানুষ থেকে পিছিয়ে থাকবেন। আপনি চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন আপনার ঘরেবসেই এর জন্য কাহারো কাছে যাওয়া বা কহারো সাহায্যে চাওয়ার প্রয়োজন নেই। তথ্য-প্রযুক্তির বিশাল সমারোহ হচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট। প্রায় সকল শাখা-প্রশাখার ইনফরেমশন (তথ্য) জমা রয়েছে এই সমুদ্রের চেয়েও বিশাল তথ্য ভান্ডারে। শুধুমাত্র আপনার কি প্রয়োজন তা খুজেবের করুন আপনার মনের মধ্যথেকে তারপর বসে পরুন আপনার ঘরে থাকা ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটারটির সামনে এবং তথ্যের সমুদ্র থেকে আহরণ করুণ সেই সকল তথ্য যা আপনার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম। আশাকরি আপনি আপনার প্রয়োজন মেটাতে সফল হবেন। তাই যতদ্রুত সম্ভব তথ্যের সমুদ্রে ডুবদিয়ে তথ্য ও প্রযুক্তির সাথে সরাসরি পরিচিত হোন এবং আপনাকে সারা পৃথিবীর সকল কিছুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন।
নিজেকে অক্ষর-জ্ঞানহীন বলে অবহেল করবেন না, আপনি এই পৃথিবীর সম্পদ, আমাদের সম্পদ তাই নিজেকে লুকিয়ে না রেখে প্রকাশ করুন। দেখবেন আপনিই হয়তবা কোন একদিন এইপৃথিবীর সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাক্তিতে পরিণত হয়েছেন আপনার কাজের মাধ্যমে।
আপনার মনের অজান্তেই আপনার মধ্যে বিশাল কিছু লুকিয়ে আছে যা শুধু খুজে বের করার অপেক্ষায় রয়েছে। আপনি আপনাকে ভালভাবে জানার চেষ্টা করুণ এবং অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন। তথ্য ও প্রযুক্তির সাথে থাকুন, অবশ্যই আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছানোর সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করতে সক্ষম হবেন।

 আধুনিক জীবনে কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

আধুনিক জীবনে কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা

বর্তমান জীবন একান্তভাবেই বিজ্ঞাননির্ভর। বিজ্ঞানের আবিষ্কার ও উদ্ভাবন জীবনের প্রতিক্ষেত্রেই মানুষের নানা প্রয়োজন মেটাচ্ছে। কেবল তাই নয়, বিজ্ঞান মানুষের দৃষ্টিভাঙ্গিতেও আমূল পরিবর্তন এনেছে। বিজ্ঞান শুধু মানুষের দৈনন্দিন জীবনকেই সমৃদ্ধ করে নি, তার চিন্তাজগৎকেও প্রভাবিত করেছে। উন্নতির দিকে নিয়ে গেছে মানবসভ্যতাকে। এ উন্নতির মূলে কাজ করেছে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতি। আধুনিক জীবনে কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বৈচিত্র্যপূর্ণ। কাজেকর্মে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে তথ্যপ্রযুক্তির এক পরম বিস্ময়কর আবিষ্কার কম্পিউটার। মানুষের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে, প্রয়োজনীয় কাজেকর্মে, বিনোদনসহ সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার অতুলনীয় সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। যান্ত্রিক সভ্যতার চালিকাশক্তি হিসেবে কম্পিউটার আজ ঘরে ঘরে স্থান করে নিয়েছে। কম্পিউটারের উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এর ব্যাপক ব্যবহার এখন সর্বজন স্বীকৃত।
আধুনিক জীবনে কম্পিউটার
আধুনিক জীবনে কম্পিউটার
কম্পিউটার কী? : কম্পিউটার বলতে এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রকে বোঝায় যা অগণিত উপাত্ত গ্রহণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ করে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে পারে। ’কম্পিউটার’ শব্দটি ইংরেজি এবং এর অর্থ হলো ’গণকযন্ত্র’। কম্পিউটার হিসাবের যন্ত্র হিসেবে যোগবিয়োগ, গুণভাগ জাতীয় অঙ্ক কষতে পারে। এছাড়া তথ্যাদির বিশ্লেষণ ও তুলনা করা এবং সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এ যন্ত্রটির। গণিত, যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজের সঙ্গে কম্পিউটারের সংযোগ। কাজের গতি, বিশুদ্ধতা ও নির্ভরশীলতার দিক থেকে কম্পিউটারের ক্ষমতা মানুষের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত।
কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহার : জন্মলগ্নের অত্যল্পকালের মধ্যেই কম্পিউটার এর কার্যগুণে ও উপযুক্ততার নিরীক্ষে সকল প্রকার বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারগুলোকে পেছনের সারিতে ঠেলে দিয়ে অতি সামনের আসনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের অন্যতম এক আবিষ্কার আজকের কম্পিউটার, যা মানুষ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে দেখছে বা উপলব্ধি করছে। বিজ্ঞানের হাজারো উদ্ভাবনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে তার কার্য প্রয়োজনীয়তা গুণে মানুষকে অবাক করে দিয়েছে। এখন মানুষ গৃহের অন্দর থেকে শুরু করে অফিসপাড়ায় বিশাল কর্মজগতের সবখানেই কম্পিউটার এক বিস্ময়কর পদচারণা করছে, যা মানুষ তার কাজের একটি অংশ বা নিজ শরীরের একটি অত্যাবশ্যকীয় প্রত্যঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করতেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের বিচিত্রতর কাজকর্মের সাথে যেমন কম্পিউটারকে সম্পৃক্ত করছে, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব বা তথ্য সংগ্রহে, বা নিজস্ব তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তুলতে, অত্যাধুনিক বিনোদনের কর্মকাণ্ডে, তার্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে, নিজের ব্যবসায়িক সাফল্যকে পরিকল্পিত উপায়ে পরিচালনা করতে, সম্যক ধারণার সৃষ্টিতে প্রভৃতি খুঁটিনাটি কাজ থেকে শুরু করে বৃহৎ কর্মপরিসরে কম্পিউটারকে অপ্রতিহত গতিতে বা প্রয়োজনে কম্পিউটারকে সম্পৃক্ত করছে মানুষ তার নিজের তাগিদেই। কম্পিউটারের প্রতি মানুষ এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, সে কম্পিউটার ছাড়া তার উন্নততর আধুনিক জীবন কল্পনা করতেও রাজি হচ্ছে না। শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে তো কম্পিউটার একক রাজা। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, কম্পিউটারকে মানুষ এখন হাতের কাছে পেতে উদগ্রীব হচ্ছে। আধুনিক জীবনে কম্পিউটার
শিক্ষাক্ষেত্রে কম্পিউটার : আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির অনন্য বাহন কম্পিউটার। আজকের উন্নত বিশ্বে কম্পিউটারের ব্যবহার ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা কল্পনা করা অসম্ভব। এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে বিচরণ করা সহজ হয়ে গেছে। প্রকাশনা শিল্পে বিপ্লব ঘটিয়েছে কম্পিউটার। যার ফলে জ্ঞানচর্চার অন্যতম উপকরণ বই ঠিক সময়ে আমাদের হাতে পৌঁছে। বইয়ের বিষয়াবলি এখন কম্পিউটারের ডিস্কে জমা রাখা যাচ্ছে। কী বোর্ডের বোতাম টিপলেই এখন বিশ্বের সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার আমাদের সামনে মনিটরের পর্দায় ভেসে উঠছে। কম্পিউটারের আশীর্বাদে যেকোনো বিষয় এখন হাতের কাছে অবস্থান করে মানুষের জ্ঞানভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করছে। এটি যেমন গ্রন্থাগারের ভূমিকা পালন করছে, তেমনি অভিজ্ঞ শিক্ষকের। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা আমাদের যেকোনো শিক্ষণীয় বিষয়কে চোখের সামনে পাচ্ছি। পৃথিবীর সমস্ত গ্রন্থাগার এখন আমাদের ঘরেই যেন অবস্থান করছে।
জনস্বাস্থ্যে কম্পিউটার : মানুষের রোগ নির্ণয় ও নিরাময়ে কম্পিউটার এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। রোগের কারণ ও প্রতৃতি বিশ্লেষণ করে এর প্রতিরোধ এবং প্রতিকারে কম্পিউটার এখন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। কম্পিউটার প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ জটিল ব্যাধি থেকে নিরাময়ের পথনির্দেশ খুঁজে পাচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা নতুন নতুন জটিল রোগের প্রতিষেধক ও নিরাময়ের ওষুধ আবিষ্কারে কম্পিউটারের সাহয্য নিচ্ছে। কম্পিউটারের এই সহযোগিতা যথার্থ শিক্ষার মাধ্যমেই কাজে লাগানো সম্ভব। আধুনিক জীবনে কম্পিউটার
তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কম্পিউটার : কম্পিউটার এখন তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক অবাক করা ভূমিকায় অভিনয় করছে। আধুনিক তথ্য যোগাযোগের জগতে ই-মেইল, ফ্যাক্স, ফোন, ইন্টারনেট প্রভৃতির প্রাণবায়ু হয়ে বিরাজ করছে কম্পিউটার। বিশ্বের আন্তর্জাতিক তথ্য প্রবাহের যুগে, অবাধ বিচরণের ক্ষেত্রকে কম্পিউটার অভাবিত প্রসারণ ঘটিয়ে বিপুল বিস্ময়ে কাজ করে যাচ্ছে। সাথে সাথে মানুষ স্ফীত করে তুলছে তার জ্ঞানভাণ্ডারকে। মানুষ তার অসীম আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করতে এখন এককভাবে নির্ভর করছে কম্পিউটারের ওপর এবং যথার্থভাবেই সে সাফল্য কুড়িয়ে নিচ্ছে। কম্পিউটার মানুষের দৈনন্দিন তথ্য আদান প্রদানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কম্পিউটারের একচ্ছত্র আধিপত্য এতটাই ব্যাপক ও দৃঢ়তার আস্থায় অধিষ্ঠিত যে, মানুষের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সে জড়িত হচ্ছে। হয়ে উঠেছে মানবসভ্যতার সিঁড়িতে সিঁড়িতে বিছানো লাল গালিচা বা কার্পেট। হয়ে উঠেছে মানুষের এক পরম সুহৃদ। কম্পিউটারের এ ভূমিকাকে দ্বিমত পোষণ করতে বোধ হয় এখনকার জগতে আর কেউ নেই। আধুনিক জীবনে কম্পিউটার
কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব : বর্তমান যুগ কম্পিউটার যুগ। যুগের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে হলে কম্পিউটার শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তাই জাতীয় উন্নতির কথা বিবেচনা করে প্রত্যেক শিক্ষিত ব্যক্তিকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা এবং তা প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের কল্যাণ সাধন করা উচিত। কম্পিউটারের কর্মক্ষেত্র প্রসারণের সাথে সাথে কম্পিউটার শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে। কম্পিউটার শিক্ষার মাধ্যমেই এর উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। কম্পিউটার শিক্ষার অভাব থাকলে এর কার্যকারিতা ব্যাহত হবে। তাছাড়া কম্পিউটারের কার্যক্ষেত্র সম্প্রসারণের সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রমিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তির চাহিদাও বাড়ছে। তাই কম্পিউটার শিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণ অত্যাবশ্যক।
কম্পিউটার শিক্ষাব্যবস্থা : কম্পিউটার এখন মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, কলকারখানা প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দীক্ষা গুরুর ভূমিকা পালন করছে, সেজন্য কম্পিউটার শিক্ষা ব্যাপক ও সামগ্রিক হওয়া প্রয়োজন। সে সরকারি প্রচেষ্টাতেই হোক আর বেসরকারি বা ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাতেই হোক। এখনকার দিনের চাহিদা তথা যুগের দাবি মেটাতে কম্পিউটার শিক্ষাকে মানুষের হাতের নাগালে বা মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে ব্যাপক আয়োজন দরকার। সেজন্য প্রয়োজন বিপুল জনশক্তি নিয়োগ। একটি জাতির দক্ষ জনশক্তি যখন কাজে নিযোজিত থাকে, তখন জাতি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। প্রতিটি মানুষের মাঝে কম্পিউটারের জ্ঞানকে সম্প্রসারিত করা এখনকার দিনের দাবি বা যুগের দাবি। এ লক্ষ্যে কম্পিউটার শিক্ষাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সমস্ত বিশ্বে কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাবৎ বিশ্বে এ ব্যাপারে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ইদানিং আমাদের দেশে অবশ্যই বিদ্যালয় পর্যায়ে পৌঁছে গেছে কম্পিউটার শিক্ষা। দেশের কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অবশ্য প্রথম থেকেই তাদের শিক্ষা কারিকুলামে কম্পিউটারকে বাধ্যতামূলক করেছে। কম্পিউটার শিক্ষাকে শুধু মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখলেই চলবে না, উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় মান পর্যন্তও চালু করা দরকার। বর্তমান বিশ্বে যা চলছে, তাতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হলে তা জাতির জন্য মঙ্গলই বয়ে আনবে বলে সকল বিদ্ব্যানজন বিশ্বাস করেন। কম্পিউটার শিক্ষাকে মানুষের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার সরকারি প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানানো যায় এ চেষ্টা যাতে ফলবতী হয় সেজন্য আমাদের সকলকে জাতীয়ভাবে সচেষ্ট হতে হবে।
কম্পিউটার মানব সভ্যতার বিকাশে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এতে যেমন কোনো দ্বিমত নেই ঠিক তেমনি তা অর্থবহ হবে ব্যাপকভাবে কম্পিউটার শিক্ষা লাভের মধ্যে- এর বিপরীতে কোনো মন্তব্য নেই। এর শিক্ষা ও ব্যবহার বৃদ্ধি করে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সম্মুখপানে।  উ































ন্নয়নশীল দেশগুলো উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে উন্নত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি লাভ করতে পারে কম্পিউটার শিক্ষা ও ব্যবহারের মাধ্যমে। উন্নত ও আধুনিক জীবন প্রণালীর প্রতিটি স্তরে কম্পিউটার সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই এ ব্যাপারে শিক্ষা গ্রহণ ও প্রয়োগের জন্য সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।
আপনি যদি “আধুনিক জীবনে কম্পিউটার “ পোস্টটি পছন্দ করেন তাহলে দয়া করে আমাদের ব্লগটি সাবস্ক্রাইব করুন। এবং ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাসের সাথে শেয়ার করুন ।

কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস ও কম্পিউটারের ব্যবহার।

কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস ও কম্পিউটারের ব্যবহার।

ভূমিকা: যুগে যুগে বিজ্ঞান মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে অভাবনীয় সব আবিষ্কার। এইসব আবিষ্কার মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমে সহজ থেকে সহজতর করে তুলেছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং কার্যক্ষমতাসম্পন্ন আবিষ্কার হলো কম্পিউটার। বিংশ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত এ যন্ত্রটিকে যন্ত্রমস্তিষ্ক বলাটা অনেকাংশেই সঙ্গত। বহুমুখী ও বিচত্র কর্মদক্ষতার অধিকারী, দ্রুতগতিসম্পন্ন এই যন্ত্রটি সময়ের অপচয় নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি মানুষের কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক। শক্তিশালী এ যন্ত্রটির ব্যবহার অপেক্ষাকৃত সহজ, ফলে এটি অতি দ্রুত মানবজীবনের একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে।
কম্পিউটার কী: আধুনিক কম্পিউটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা অসংখ্য তথ্য (Data) গ্রহণ ও ধারণ করতে পারে এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশ অনুসরণ করে উপাত্তগুলোকে গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ এবং যুক্তিমূলক প্রক্রিয়ায় কাজে লাগাতে পারে; সেই সাথে প্রোগ্রাম ঠিক করে দিলে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ করতে পারে।
Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ compute থেকে এসেছে। আক্ষরিক অর্থে compute শব্দটির মানে হলো হিসাব বা গণনা করা। সে ক্ষেত্রে computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। তবে বর্তমানে কম্পিউটারকে শুধুমাত্র গণনাকারী যন্ত্র বলা যায় না। আধুনিক কম্পিউটার একই সাথে তথ্য-উপাত্ত গ্রহণ, গণনা, বিশ্লেষণসহ সকল ধরণের কাজ করতে পারে।
কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস: আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কারের পেছনে রয়েছে অসংখ্য উদ্ভাবনী শক্তি সম্পন্ন মানুষের বহু বছরের নিরলস পরিশ্রম এবং গবেষণা। প্রাচীন মানুষেরা গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে থাকলেও প্রথম গণনাযন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি যন্ত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ফরাসি বিজ্ঞানী “ব্লেইজ প্যাসকেল” (Basic Pascal) ১৬৪২ সালে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। অনেক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে উনিশ শতকের গোড়ার দিকে চার্লস ব্যাবেজ এমন একটি গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন যেটি কেবলমাত্র যান্ত্রিকভাবে, মানুষের সহায়তা ছাড়াই গাণিতিক হিসাব করতে পারে। ব্যাবেজ এই যন্ত্রের নাম দিয়েছিলেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন।
এই যন্ত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে তিনি আরও উন্নত ও সার্বজনীন একটি যন্ত্রের ধারণা লাভ করেন। যদিও প্রয়োজনীয় যন্ত্রের অভাবে ব্যাবেজ তার গবেষণালব্ধ ধারণাটিকে বাস্তবে রূপ দিয়ে যেতে পারেননি। তবে তাঁর পরিকল্পিত গণনাযন্ত্রটিই পরবর্তীকালে আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা দিয়েছে। মূলত আধুনিক কম্পিউটারের সূত্রপাত ঘটেছে ১৮৩৩ সালে।
কম্পিউটার ও তার কর্মপদ্ধতি: কম্পিউটার তার কর্মপদ্ধতি পরিচালনা করে মূলত তিনটি অংশের মাধ্যমে। এগুলো হলো- ইনপুট, সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ এবং আউটপুট। ইনপুট অংশের কাজ হলো তথ্য-উপাত্ত (Data) এবং নির্দেশন গ্রহণ করা। স্রেন্টাল প্রসেসিং ইউনিট তথা সিপিইউ হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক। কেননা এই অংশ যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকে। মূলত সিপিইউ গৃহীত ডাটার ওপর বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং ডাটা ও ফলাফল সংরক্ষণ করে। সর্বোপরি, আউটপুট ফলাফল প্রকাশের কাজটি করে।
এই তিনটি অংশের নিয়ন্ত্রণকারী কাঠামোটিকে একত্রে বলা হয় হার্ডওয়্যার। মূলত কম্পিউটারের বাহ্যিক সকল যন্ত্রপাতি অর্থাৎ মনিটর, কী বোর্ড, মাউস, হার্ড-ডিস্ক, মাদারবোর্ড, স্ক্যানার, ডিস্ক, প্রিন্টার, স্পিকার প্রভৃতি যন্ত্রসমূহ হার্ডওয়্যার এর অন্তর্গত।
অন্যদিকে, যে সমস্ত প্রোগ্রাম সমষ্টি হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং কার্যক্ষম করে সেগুলোকে বলা হয় সফটওয়্যার। মূলত সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে ধারাবাহিকভাবে সাজানো নির্দেশমালাকে একত্রে প্রোগ্রাম বলা হয়। আর হার্ডওয়্যারকে পরিচালনাকারী প্রোগ্রাম সমষ্টিই হলো সফটওয়্যার। কম্পিউটারের বিস্ময়কর কার্যক্ষমতার মূলে রয়েছে এসকল যন্ত্র ও যন্ত্রাংশের সমষ্টিবদ্ধ সহায়তা।
কম্পিউটার আবিষ্কারের ইতিহাস ও কম্পিউটারের ব্যবহার।
কম্পিউটারের ব্যবহার: বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার এত ব্যাপক যে খুব সহজেই একে কম্পিউটারের যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের উপস্থিতি লক্ষ করার মতো। প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো কাজই নেই যা কম্পিউটার করছে না। কম্পিউটার কোটি কোটি সংখ্যার জটিল হিসাব কয়েক মুহূর্তে সমাধান করছে। ব্যাংক, বীমা, কিংবা বড় বড় কলকারখানা পরিচালনার পরিকল্পনা, নির্দেশনা, আয়-ব্যয়, লাভ-ক্ষতির সমস্ত হিসাব-নিকাশ হচ্ছে কম্পিউটারের সহায়তায়।
বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থায়, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এমনকি শিক্ষা ক্ষেত্রেও পাঠ্যবইয়ের সহায়ক তথ্য প্রদান থেকে শুরু করে পরীক্ষার ফল প্রকাশ পর্যন্ত যাবতীয় কার্য সম্পাদনে রয়েছে কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহার। চিকিৎসা ক্ষেত্রে একদিকে কম্পিউটার রোগ নির্ণয় এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা নিরূপণ করছে। অন্যদিকে অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রেও সহায়তা করছে।
কম্পিউটার ছবি আঁকছে, পুরনো ছবি সম্পাদনা করছে, মানচিত্র আঁকছে, প্রিন্টিং ও গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং বাড়ি-ঘর, গাড়ি, বিমান, ভাস্কর্য প্রভৃতির নকশা তৈরি করছে। বিনোদনের ক্ষেত্রেও কম্পিউটারের জুড়ি মেলা ভার। ঘরে বসেই ক্রিকেট, ফুটবল, রেসিং, দাবাসহ নানারকম ভিডিও গেমস্ খেলা যায় কম্পিউটারে। যে সমস্ত দুরূহ কাজ মানুষের অসাধ্য, যে সব দুর্গম এলাকায় মানুষ যেতে অক্ষম কম্পিউটার সেখানেও পৌঁছে যাচ্ছে এবং কার্য সমাধা করছে সুনিপুণভাবে। উদাহরণস্বরূপ, কম্পিউটার চালিত ‘স্ক্যানার’ আটলান্টিক মহাসাগরের অতল থেকে খুঁজে এনেছিল বিধ্বস্ত বিমানের অংশ।
মুদ্রণ শিল্পেও কম্পিউটার এক এবং অদ্বিতীয় ভূমিকা পালন করছে। কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সাহায্যে ঘরে বসেই বিশ্বের যেকোনো তথ্য জানা সম্ভব। এছাড়া তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও কম্পিউটার সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। কম্পিউটারের এমন বহুবিধ ব্যবহারের কারণে আধুনিক জীবনের সঙ্গে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
আধুনিক জীবনের একটি দিনও তাই কম্পিউটার ছাড়া কল্পনাও করা যায় না। বহুবিধ কার্যক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার মানব সভ্যতাকে দিয়েছে বিপুল কর্মসুবিধা, দুরন্ত গতি এবং সর্বোপরি অযুত সম্ভাবনা।
তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার
তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার: তথ্যপ্রযুক্তির সাথে কম্পিউটার নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। বিগত দুই দশকে গোটা বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্ময়কর সাফল্য পরিলক্ষিত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমেই ঘটেছে বিশ্বায়নের মতো ঘটনা যা গোটা বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। মূলত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশের সঙ্গে জড়িত ব্যবস্থাটিই তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ICT নামে পরিচিত। আর এই তথ্য প্রযুক্তি পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় কম্পিউটার, বিশেষত ইন্টারনেট। তথ্য-প্রযুক্তি এবং কম্পিউটার-এ দুয়ের যুগল সাহচর্যে মানব সভ্যতার আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।
বেকার সমস্যা সমাধান ও কম্পিউটার: মানব সৃষ্ট এই যন্ত্রটি কখনো কখনো মানুষেরই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।, যার মধ্যে বেকারত্ব উল্লেখযোগ্য। একটি কম্পিউটার মুহূর্তের মধ্যে কয়েকজন মানুষের কাজ করছে। ফলে স্বভাবতই আগে যেখানে চার-পাঁচ জন লোক কাজ করত, কম্পিউটারের কারণে সেখানে একটি লোকই যথেষ্ট। তবে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই কম্পিউটার নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করছে।
দিন দিন ব্যাপক হারে কম্পিউটারের প্রসার ঘটে চলেছে। এখানে প্রচুর দক্ষ জনবল প্রয়োজন হচ্ছে। অর্থাৎ কম্পিউটারের পরিকল্পনানুযায়ী সঠিক ব্যবহার বেকারত্ব হ্রাস করে মানুষের জন্য নিত্যনতুন কাজের ক্ষেত্রও তৈরি করছে। এতে শিক্ষিত তরুণদের ব্যাপক হারে কর্মসংস্থান হচ্ছে।
কম্পিউটারজনিত বিভিন্ন সমস্যা
কম্পিউটারজনিত বিভিন্ন সমস্যা: সব বিষয়েরই ভালো-মন্দ দুটি দিক আছে। তেমনি আধুনিক মানুষ একদিকে যেমন কম্পিউটারের আশীর্বাদপুষ্ট, অন্যদিকে বিভিন্ন সমস্যায় পীড়িত। কম্পিউটারের সহায়তায় কিছু অপরাধ চক্র অস্ত্র নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্বে বিশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট। এছাড়া যুদ্ধ-বিগ্রহ, দেশ দখল, সাইবার ক্রাইম প্রভৃতি নিন্দনীয় কাজে কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইন্টারনেট যদিও তরুণ সমাজের সামনে উন্মুক্ত করেছে জ্ঞানের অবারিত প্রান্তর তবুও নানারকম কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল সংস্কৃতির প্রচার যুবসমাজকে ঠেলে দিচ্ছে ধ্বংসের পথে। ভিডিও গেমসহ নানারকম খেলা অনেক সময় মানুষকে নেশাগ্রস্ত করে ফেলে। কম্পিউটার থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া বেশিক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার চোখের জন্য ক্ষতিকর।
কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা: আধুনিক সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে কম্পিউটার শিক্ষা অপরিহার্য। কম্পিউটারের সঠিক এবং ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে কম্পিউটার সম্পর্কিত জ্ঞান অপরিহার্য। মানুষ যতবেশি কম্পিউটার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করবে, কম্পিউটারের অপব্যবহার ততো কমে আসবে। আর কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলেই দেশ ও জাতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।
উপসংহার: আধুনিক বিজ্ঞানের এই যুগে কম্পিউটারকে বাদ দিয়ে চলা অসম্ভব। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কম্পিউটার ব্যবহার আজ অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেক্ষেত্রে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে বিবেচনা করেই কম্পিউটারের প্রয়োগ ক্ষেত্র নির্বাচন করতে হবে। দেশের উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কম্পিউটারের পরিকল্পিত ব্যবহার পারে আধুনিক সভ্যতা ও উন্নতির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে।

 চাকরির জন্য দরকারি কম্পিউটার দক্ষতা

চাকরির জন্য দরকারি কম্পিউটার দক্ষতা

বর্তমান বিশ্ব এমনিতেই এখন ভার্চুয়াল কাজের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তাই কম্পিউটার বিষয়ে মৌলিক জ্ঞান থাকাটা এখন সকলের জন্য আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এটা না থাকলে এখন ভালো ভালো ডিগ্রি নিয়েও চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। বেশিরভাগ অফিসের কাজেই এখন প্রচলিত খাতা-কলমের বদলে কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক বেশি। অটোমেশনের এই যুগে এসে তাই কম্পিউটারের ‘অ আ ক খ’ না জানলে চাকরি পেলেও তাতে কতদিন টিকে থাকতে পারবেন, তা বলা মুশকিল। সব ধরনের চাকরির ক্ষেত্রেই এখন এই কথা প্রযোজ্য। আজকের মূল ফিচারে সাধারণভাবে সব ধরনের চাকরিতে কী ধরনের কম্পিউটার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, তা তুলে ধরেছেন অর্ক হাসান
বর্তমান সময়ে আপনি এমন চাকরি বিজ্ঞপ্তি খুব কমই দেখবেন যেখানে কম্পিউটারের মৌলিক অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় না। ফলে কম্পিউটারে যাদের সাধারণ এসব দক্ষতা নেই, তারা অনেক চাকরিতেই আবেদন করতে পারেন না। অনেক কেন, এখন আসলে কম্পিউটারের মৌলিক কাজগুলো না জানলে বেশিরভাগ চাকরিতেই আবেদন করার যোগ্যতা থাকে না। এই বিষয়টিকে তাই এখন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন সব চাকরিপ্রার্থীরই।
চাকরির আবেদন করা শুধু নয়, যারা এখন চাকরিতে রয়েছেন তাদের জন্যও কম্পিউটারের এসব মৌলিক বিষয় জানা খুব দরকার। কেননা কম্পিউটারে মৌলিক দক্ষতা আপনার অফিসের কাজ অনেক সহজ করে দেয়। অটোমেশনের এই যুগে সব অফিসেই এখন চিরাচরিত খাতা-পত্রের বদলে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের চর্চা শুরু হয়েছে। আপনি এসব কাজে পারদর্শী না হলে চাকরিদাতা নিশ্চয়ই আপনার বদলে অন্য কাউকে খুঁজে নিতেই আগ্রহী হবেন। আবার আপনি যদি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের কাজে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে আবার প্রতিষ্ঠান আপনার ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। আপনার কলিগরা তখন একটু বিশেষ সমাদর দিতেই পারে আপনাকে। ম্যানেজমেন্টের সুনজরে পড়াটাও তখন সহজ হয়ে যাবে।
কিন্তু আপনি কম্পিউটার বিষয়ে খুব বেশি স্বচ্ছন্দ্য না হলে কম্পিউটারের এসব কাজ কেমন করে শিখবেন, সেটা আপনার দ্বারা কতটুকু সম্ভব, সেসব বিষয়ে নিশ্চয়ই দ্বিধা কাজ করতে পারে। এসব ভাবনা দূর করুন। কেননা শুরু না করতে পারলে আসলে কোনোকিছুই সম্ভব নয়। তাই আজ থেকেই বসে পড়ুন বেসিক কম্পিউটার শেখায়। যেকোনো অফিসে কাজ করতে কম্পিউটারের খুব বেশি কাজ আপনাকে জানতে হবে না। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল পাঠানো এবং ডাউনলোড করা—এগুলোই প্রাথমিকভাবে আপনাকে অনেকটাই যোগ্য করে তুলবে চাকরির জন্য। এখন জেনে নিন এসব প্রোগ্রামের কোনটা কোন কাজে লাগে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
বর্তমানে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ব্যবহার হয় না। সামান্য একটি আবেদনপত্র লেখা থেকে শুরু করে লেখালেখির সব কাজই সম্পন্ন করা হয় মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে। ওয়ার্ড প্রসেসিং এই প্রোগ্রামে অফিসের প্রায় সব ধরনের ডক্যুমেন্ট আপনি তৈরি করতে পারবেন। কোনো লেখাকে ফরম্যাট করা, লেখার মধ্যে টেবিল তৈরি করা, বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করে লেখাকে সুন্দর করে তোলা, লেখার মধ্যে ডিজাইন করা—এমন সব কাজই আপনি সহজে করতে পারবেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে।
মাইক্রোসফট এক্সেল
অফিসের কাজের এক্সেলও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সফটওয়্যার। বিভিন্ন ধরনের ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অপরিহার্য। সাধারণ হিসাব-নিকাশ থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টসের অনেক কাজের জন্যও নির্ভর করতে পারেন এক্সেলের ওপর। প্রতিষ্ঠানের বাত্সরিক রিপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে স্যালারি শিট, প্রতিদিনের খরচের হিসাব রাখার মতো কাজগুলোও এক্সেলে সহজে করা যায়। বিভিন্ন ডাটা সহজে বুঝার জন্য এক্সেল থেকে নানা ধরনের চার্ট বা ডায়াগ্রামও তৈরি করার সুযোগ রয়েছে। ফলে বলতে গেলে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার।
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
সব অফিসে বললে ভুল হবে, তবে অধিকাংশ অফিসের কাজেই এই সফটওয়্যারের ব্যবহার রয়েছে। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে মূলত যেকোনো ধরনের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়। ধরুন, আপনি আপনার বসকে নতুন একটি প্রজেক্ট আইডিয়া দেখাতে চান। সেটার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট হতে পারে আদর্শ একটি প্ল্যাটফর্ম। পাওয়ার পয়েন্টে আপনার আইডিয়াগুলোকে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন, ছবি, চার্ট, ডায়াগ্রাম ও টেক্সটের মাধ্যমে হাজির করতে পারবেন দৃষ্টিনন্দন উপায়ে। আপনার শৈল্পিক মনের একটি ডিজিটাল প্রতিচ্ছবিও হয়ে উঠতে পারে পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড। কোনো প্রজেক্টের প্রতিটি বিষয়ের জন্য এতে আপনি তৈরি করতে পারবেন আলাদা আলাদা স্লাইড। এই স্লাইডগুলো সঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারলে আপনার প্রজেক্ট কাউকে বুঝানো আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। এখন পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইডে অডিও এবং ভিডিও যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে। তাই নানা ধরনের মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দিয়ে ডিজাইন করুন চমত্কার সব স্লাইড। আর স্লাইড শো দিয়ে মুগ্ধ করুন সকলকে।
ইন্টারনেট ব্রাউজিং
ইন্টারনেট ব্রাউজিং ছাড়া প্রযুক্তি-নির্ভর এই বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলা মুশকিল। তরুণরা অবশ্য স্মার্টফোনের কল্যাণে চলতি পথেও ইন্টারনেটের সাথে সার্বক্ষণিক যুক্ত থাকে। ইন্টারনেট আসলে তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডার। প্রয়োজন কেবল এখান থেকে সঠিকভাবে সঠিক তথ্যটি খুঁজে বের করা। আপনার অফিসের দৈনন্দিন কাজের জন্যও ইন্টারনেট তাই প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে। নতুন নতুন আইডিয়ার জন্যও ইন্টারনেট হতে পারে আপনার সহায়। তাই ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে পারঙ্গমতা এখন অপরিহার্য একটি যোগ্যতা।
ইমেইল
এখনকার যোগাযোগের জন্য আর চিঠিপত্রের চল নেই। এর জায়াগায় স্থান করে নিয়েছে ইমেইল। অফিসের মধ্যে তো বটেই, অফিসের বাইরেও যে কারো সাথে যোগাযোগের জন্য এখনকার সময়ের স্মার্ট পদ্ধতি হলো ইমেইল। তাত্ক্ষণিকভাবে ইমেইল আপনার বার্তাটি পাঠিয়ে দিবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। অফিসের নোটিশও এখন আধুনিক অফিসে ইমেইলের মাধ্যমে সার্কুলেট করা হয়ে থাকে। ইয়াহু মেইল, জিমেইলের মতো ফ্রি ইমেইল সেবাতে তাই আপনার অ্যাকাউন্ট থাকা উচিত। আর অফিসের নিজস্ব ডোমেইনে ইমেইলও প্রদান করা হয় অনেক জায়গায়। ইমেইল ব্যবহারে তাই স্বচ্ছন্দ্য হয়ে উঠতে হবে।
শিখবেন কোথায়
যদি খোঁজ নিয়ে দেখেন তাহলে দেখবেন যে আপনারই আশপাশে অসংখ্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আপনার কোনো বন্ধুও হয়তো বিষয়গুলোতে অত্যন্ত দক্ষ। তার শরণাপন্নও হতে পারেন। এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে অবশ্য খুব বেশি টাকাও খরচ হয় না। এগুলোর প্রতিটি বিষয়ে অবশ্য বইও পাওয়া যায় বাজারে। সেগুলো থেকে নিজে নিজেও শিখে নিতে পারেন। আর ইন্টারনেটে একটু স্বচ্ছন্দ্য হলে ইউটিউব, খান একাডেমির মতো সাইটে এসব শেখার জন্য পাবেন প্রচুর টিউটোরিয়াল।


 কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ?

কম্পিউটার শেখা কেন প্রয়োজন ?

জীবিকা নির্বাহ করে বেঁচে থাকতে হলে, আজকের দিনে কম্পিউটার শিখতেই হবে। এই কথাটা আর নতুন করে বলবার কিছু নেই। শুধু যে কম্পিউটার সংক্রান্ত কাজ করতে হলেই কম্পিউটার ব্যবহার প্রয়োজন, তা নয়। যে কাজ কম্পিউটার-নির্ভর নয়, সেখানেও কম্পিউটার জানা একটা অতিরিক্ত যোগ্যতা বলে বিবেচিত হয়। এক জন কর্মীর যদি কি-বোর্ড কী করে চালাতে হয় জানা না থাকে তা হলে সামান্য ই-মেল চেক করা বা তার জবাব দেওয়াই ঝকমারির পর্যায়ে চলে যায়। কম্পিউটারের ব্যবহার এক জন কর্মীর উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ। আসলে কম্পিউটার শিক্ষা হল এটা একটা প্ল্যাটফর্ম, জীবন গড়ে নেওয়ার জন্য যে ট্রেনেই তুমি উঠতে চাও না কেন, এই প্ল্যাটফর্মে তোমায় পৌঁছতেই হবে।

 ফ্রিল্যান্সিং শিখুন বেকারত্বের অভিশাপ হতে নিজেকে মুক্ত করুণ ।

ফ্রিল্যান্সিং শিখুন বেকারত্বের অভিশাপ হতে নিজেকে মুক্ত করুণ ।

ফ্রিল্যান্সিং একটি সম্মানজনক মুক্ত পেশা তাই বর্তমান সময়ে তরুণদের কাছে এটি একটি আগ্রহের বিষয়। কারণ সবাই চায় নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে উপার্জনের একটি ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে । যা কেবলমা্ত্র ফ্রিল্যান্সিং এই সম্ভব।বর্তমানে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আশাব্যঞ্জক। দেশের অনেক তরুণ/তরুণী লেখাপড়ার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছে। অনেকেই দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে চাকরির আশায় না থেকে আউটসোর্সিং শুরু করছে। আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে গিয়ে অনেকে নতুন নতুন প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইনিং ও গ্রাফিক্সের কাজ শিখছে। এতে প্রকৃতপক্ষে তরুণদের সামর্থ্য দিন দিন বাড়ছে। যার প্রতিফলন দেখা যাবে অদূর ভবিষ্যতে। শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরেও অনেকে আউটসোর্সিংকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। কয়েক বছর ধরে এই তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ যেভাবে উন্নতি করছে, তাতে আগামী কয়েক বছরে তা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দিক দিয়ে সর্বোচ্চ স্থান দখলকারী গার্মেন্ট শিল্পকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতি বছরই এ খাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।
দেশের তরুণেরা আউটসোর্সিংয়ের কাজে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যান্য শিল্পে অদক্ষ শ্রমিক হলেও কাজ চলছে তবে আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে এ চিত্রটি পুরোপুরি উল্টো। এখানে যে যত বেশি দক্ষ, তার কাজ তত বেশি। বিদেশী বায়াররা কোনো জব বা কাজ পোস্ট করার পর দেশের তরুণরা অন্যদের সাথে পাল্লা দিয়ে বিড করে ইন্টারভিউ দিয়ে বায়ারদের মানসম্মত কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন দেশের তরুণরা। বর্তমানে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক নামী বেনামী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ট্রেনিং ইন্সটিটিউট কাজ করে যাচ্ছে।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের মেধা দিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারগণ  এগিয়ে চলছে। যেটা প্রমাণ করছে সদিচ্ছা ও দক্ষতার প্রমাণ দেখাতে বাঙালী জাতি সবসময় সচেষ্ট । দেশে এখন স্কুল পড়ুয়া কিশোর-কিশোরী থেকে সর্বস্তরের মানুষ স্বাধীন পেশা হিসেবে আউটসোর্সকে বেছে নিচ্ছেন। বাড়িতে বসে উপার্জন করার মাধ্যম এখন হাতের মুঠোয়।
আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে সরকারী সহায়তা খুবই জরুরি। বিশেষ করে অধিক মাসিক ইন্টারনেট চার্জ, নেটের দুর্বল গতি এসব দিক একপ্রকার বাঁধা। যেখানে ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইনের সরকার তাদের দেশে আউটসোর্স খাতকে উন্নয়নের একটি অংশ হিসেবে দেখেন এবং ইন্টারনেট মাসিক চার্জ অনেক কম, গতিও অনেক ভালো। আমাদের সরকারকেও আন্তরিক ও সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকার সমস্যার দূরীকরণে আউটসোর্সের ভূমিকা অপরিসীম।ফ্রিল্যান্সার হয়ে উপার্জন করার জনপ্রিয় সাইটগুলো  ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার ও ইল্যান্স সাইটে প্রতিদিন কাজের চাহিদা দেওয়া হয় । সেখান থেকেই আপনার মেধার বিস্তার ঘটিয়ে আপনি ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।
স্বপ্ন এখনই বাস্তবে রুপান্তর করতে উদ্যোগ নিন, আপনার পথচলার সাথি হিসেবে পাশে আছে এফ.এম কম্পিউটার আইটি ।আপনার প্রয়োজন শুধু মনোবল এবং সদিচ্ছা।
ভর্তি চলছে………………..
৩৫% ছাড়ে “ফ্রিলান্সিং অ্যান্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রশিক্ষণ ” এ স্বল্প সংখ্যক আসনে ভর্তি চলছে(অফার সীমিত সময়ের জন্য)
#যোগাযোগের ঠিকানা :- ওসমান মার্কেট ২য় তলা, জনতা ব্যাংকের পূর্ব পার্শের ২য় গলি, মৌচাক বাজার, কালিয়াকৈর, গাজীপুর। মোবাইল 01711003755, 01511003755
#ইমেইল:- fmcomputerit@gmail.com
https://www.facebook.com/fmcomputerit
https://www.youtube.com/fmcomputerit
https://www.pinterest.com/fmcomputerit/
https://myspace.com/fmcomputerit/
https://www.linkedin.com/in/fmcomputerit
https://www.instagram.com/fmcomputerit
https://www.twitter.com/fmcomputerit
https://fmcomputerit.business.site
https://fmcomputertrainingcentre.tumblr.com/
#কোথাও ভর্তি হবার পূর্বে অবশ্যই এফ.এম কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র ভিজিট করুন।
#মিথ্যা প্রলোভনের স্বীকার হবেন না (ছেলে-মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না)
#দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ, দক্ষতা নিজের সম্পদ।
#আর তাই এবার শিখব কম্পিউটার, থাকবো নার বেকার। টাকা দিয়ে চাকরী নয়, কম্পিউটার শিখে কর্মসংস্থান হয়।